বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

ভূমিগর্ভ থেকে রহস্যময় সংকেত: ঘুম কেড়ে নিল বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের!

ভূমিগর্ভ থেকে রহস্যময় সংকেত: ঘুম কেড়ে নিল বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের!
বিডিবি নিউজ চিত্র সিলেট
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

আজ বুধবার (৮ জুলাই, ২০২৬) ভোরের আলো ফোটার আগেই সারা দেশের বৈজ্ঞানিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে সিলেট অঞ্চল থেকে পাওয়া এক অভূতপূর্ব ভূগর্ভস্থ সংকেত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও ভূ-পদার্থবিদ্যা বিভাগের একদল গবেষক আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে গত কয়েক ঘণ্টা ধরে এই রহস্যময় ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পন্দন পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা বলছেন, এই সংকেতগুলো এতটাই স্বতন্ত্র ও অপ্রত্যাশিত যে এটি পৃথিবীর গভীরের অজানা রহস্য উন্মোচনে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

গভীর রাতে প্রথমবার এই সংকেতগুলো ধরা পড়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল গ্রাউন্ড-পেনেট্রেটিং রাডার ও ম্যাগনেটোমিটারের মাধ্যমে। গবেষক দলের প্রধান, অধ্যাপক ড. ফাহমিদা হক (কাল্পনিক নাম) জানান, “এগুলো কোনো পরিচিত ভূকম্পন তরঙ্গ বা টেকটোনিক প্লেটের গতিবিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সংকেতগুলো নিম্ন-ফ্রিকোয়েন্সির, ছন্দবদ্ধ এবং অদ্ভুতভাবে শক্তি পরিবর্তন করছে। আমরা এর আগে এমন কিছু দেখিনি। এর উৎস কী, তা নিয়েই এখন গবেষণা চলছে।” প্রাথমিক বিশ্লেষণে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এর উৎস ভূগর্ভের প্রায় ৫-১০ কিলোমিটার গভীরে হতে পারে।

এই নতুন আবিষ্কার ভূ-পদার্থবিদ্যা এবং এমনকি মৌলিক পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটি হয়তো পৃথিবীর অভ্যন্তরে এমন কোনো প্রক্রিয়া বা উপাদানের অস্তিত্বের প্রমাণ, যা এত দিন সম্পূর্ণ অজানা ছিল। এই সংকেতগুলো কি কোনো নতুন ধরনের ভূগর্ভস্থ শক্তিপ্রবাহের ফল? নাকি কোনো অনন্য ভূতাত্ত্বিক গঠনের প্রতিক্রিয়া? প্রশ্নগুলো এখন আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ কেড়েছে। অধ্যাপক হক আরও বলেন, “এটি হয়তো আমাদের পৃথিবীর গঠন ও কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণাই পাল্টে দেবে।”

বাংলাদেশের এই বিস্ময়কর আবিষ্কারে বিশ্বজুড়ে ভূ-পদার্থবিদরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি এবং জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাথে যোগাযোগ করেছেন আরও তথ্য এবং সম্ভাব্য যৌথ গবেষণার জন্য। এই ঘটনা বাংলাদেশের বিজ্ঞান গবেষণাকে বৈশ্বিক মানচিত্রে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই রহস্যের জট খুলবে কিনা, তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গোটা বিশ্ব।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন